Type to search

কেশবপুরে অনুমোদন ছাড়াই চলা সাতবাড়িয়া পশুহাট দখলের চেষ্টা।যুবলীগ নেতাসহ আটক ৩

কেশবপুর

কেশবপুরে অনুমোদন ছাড়াই চলা সাতবাড়িয়া পশুহাট দখলের চেষ্টা।যুবলীগ নেতাসহ আটক ৩

জাহিদ আবেদীন বাবু, কেশবপুর : যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাতবাড়িয়া সরকারি অনুমোদন ছাড়াই চলা পশুহাট দখলের চেষ্টার অভিযোগে সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়কসহ ৩ জনকে পুলিশ আটক করেছে। এ সময় পুলিশ দখলদারদের ব্যবহৃত ১১টি মটরসাইকেল জব্দ করেছে। কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জসিম উদ্দীন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
জানা গেছে, ২০১৮ সালে সাতবাড়িয়া বাজারের পূর্বপাশে ২১ শতক জমির ওপর সাতবাড়িয়া পশুহাট স্থাপত করা হয়। পরবর্তীতে আরও দেড় বিঘা জমি বর্গা নিয়ে হাটটি পরিচালিত হয়ে আসছে। এলাকার চেযারম্যান সামছুদ্দীন দফাদারের প্রচেষ্টায় মশিয়ার রহমান দফাদার, আব্দুর রশিদসহ ২০-২৫ জন ব্যক্তি পশুহাটটি গড়ে তোলেন।
সপ্তাহের প্রত শনি ও মঙ্গলবার এখানে হাট বসে। এ হাটে আশপাশের ২৫-৩০ গ্রামের মানুষের গরু, ছাগল কেনাবেচা হয়ে আসছে। প্রতিহাটে শতাধিক গরু ও ৬০ থেকে ৭০টি ছাগল বিক্রি হয়।তবে হাটটি সরকারের তালিকাভুক্ত নয়। ২০১৯ সালে হাটটি ডাকে আসার জন্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে কাগজপত্র জমা দেয়া হয়। তবে এখনো কোন অনুমতি দেয়া হয়নি।
সাতবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও পশুহাট কমিটির সভাপতি সামছুদ্দীন দফাদার অবৈধ পশুহাটের কথা স্বীকার করে বলেন, গত ৮ এপ্রিল পৌরসভার রামচন্দ্রপুর গ্রামের লিটন গাজী ২৮ হাজার ৭০০ টাকায় সাতবাড়িয়া কাঁচা বাজারের ইজারা পান। সাতবাড়িয়া কাঁচা বাজারের সাথে পশু হাটের কোন সম্পর্ক না থাকার পরও গত ১৪ এপ্রিল সকাল ১০টায় লিটন গাজী ৩০-৩৫ জন যুবক নিয়ে পশুহাটটির দখল নিতে যায়। একপর্যায়ে হাট কমিটির লোকজন ও লিটন গাজীর লোকজন মুখোমুখি অবস্থান নিলে সংঘর্ষের রূপ নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। শনিবার সকালে পুনরায় তারা ১৫/২০টি মটরসাইকেলযোগে ওই হাটের দখল নিতে যায়।খবর পেয়ে কেশবপুর থানার ওসির নের্তৃত্বে একদল পুলিশ সাতবাড়িয়া পশুহাট অবৈধভাবে দখলের চেষ্টার অভিযোগে কাঁচা বাজারের ইজারাদার লিটন গাজী, সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাসুম বিল্লাহ ও সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ আলীকে আটক করে। এ সময় তাদের ব্যবহৃত ১১টি মটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, পশুহাটে আবেদন ভূমি মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছিল তবে তার কোন অনুমতি এখনো আসেনি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *