
চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু, চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ডেঙ্গু সহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধের সমন্বিত কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল থেকে কর্মসূচী আওতায় চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে।৮নম্বর ওয়ার্ডের বেলগাছি শাপলা চত্বর থেকে সমন্বিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কর্মসূচি শুরু করা হয়। এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (স্থানীয় সরকার বিভাগ) ও চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক শারমিন আক্তার। এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান,ইমরান মহলদার রিন্টু, কাজী শরিফুল ইসলাম, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা কে এম আব্দুস সবুর খান,সেনেটারী ইন্সপেক্টর নার্গিস জাহান, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার কর্মচারী কল্যাণ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলী হোসেন, মোহাইমেন পলাশ, জাহাঙ্গীর আলম, জোবায়ের আহমেদ, আব্দুল গনি প্রমুখ।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন-কর্মসূচীর আওতায় চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শাপলা চত্বর থেকে, হাজী মোড়, বেলগাছী রেলগেট হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সড়কের দু-পাশ পরিস্কার করা হয়। একই সাথে মশক নিধন ঔষধ স্প্রে করা হয়।
তিনি আরো বলেন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুধুমাত্র পৌরসভার উপরে ফেলে রাখলে চলবে না। বিভিন্ন দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ির আশ-পাশ নিজ নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার করার পর ময়লা আবর্জনা স্তুুপ আকারে নির্ধারিত জায়গায় রেখে দিলে পৌর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সেটি সংগ্রহ করে ময়লা প্রসেসিং সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হবে।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি মাসে একবারও ময়লা ফেলা গাড়ি এসব এলাকায় আসে না। পৌর কর্তৃপক্ষ বলেন, প্রতি ১৫ দিন ও ৭দিন পর পর পৌরসভার প্রত্যন্ত প্রতি ওয়ার্ডে ময়লা সংগ্রহের গাড়ি পাঠানো হয়। মূল শহরে প্রতিদিন ময়লা সংগ্রহের জন্য ভ্যানসহ লোক পাঠানো হয়। তবে প্রয়োজনের তুলনায় গাড়ি ও লোকবল কম থাকায় প্রতিদিন পৌরসভার সমস্ত এলাকায় ময়লা সংগ্ররের গাড়ি পাঠানো সম্ভব হয়ে ওঠে না।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সচিব কাজী শরিফুল ইসলাম বলেন, চলমান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন তা কর্মসূচির আওতায় চুয়াডাঙ্গা পৌরসভারও প্রত্যেকটি এলাকাকে সংযুক্ত করা হবে। যদি কোন এলাকায় বেশী অপরিষ্কার ও ময়লা আবর্জনা জমা হয়ে থাকে তাহলে আমাদের সংশ্লিষ্ট বিভাগে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া যেসব এলাকার ড্রেনে মশক নিধন ব্যবহারকারী কর্মচারীরা পৌঁছায়নি সেটিও আমাদেরকে অবগত করতে হবে। তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

