
বিবিসি বাংলা নিউজ তথ্যে জানা গেছে,
মেয়াদের শেষদিকে এসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে যাচ্ছে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসিতে চুক্তিটি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের চাপানো বাড়তি শুল্ক অনেকটা কমবে বলে আশা করছে সরকার।
তবে এই শুল্ক কমানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছ হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে উড়োজাহাজসহ আরও অনেক পণ্য কিনতে হবে বাংলাদেশকে।
এর আগেও প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিক দেশের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে অধ্যাপক ইউনূসের সরকার। এর মধ্যে অনেক ক্ষেত্রে চুক্তির শর্তগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়নি, আবার অংশীজনদের সবার সঙ্গেও আলোচনা করেনি সরকার।
ফলে এ ধরনের চুক্তিকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে সন্দেহ-সংশয় দেখা যাচ্ছে।
“এটা একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং তাদের প্রধান দায়িত্ব ছিল বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন। কিন্তু সেটার বাইরে গিয়ে তারা অন্য রাষ্ট্রে সঙ্গে একের পর এক চুক্তি সই করছে। নির্বাচিত সরকার ছাড়া এই ধরনের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার অন্য সরকারের নেই,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন অর্থনীতিবিদ ড. আনু মুহাম্মদ।
আবার অন্তর্বর্তী সরকারের হাত ধরে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ এসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও সেটির ঘানি টানতে হবে পরবর্তী রাজনৈতিক সরকারগুলোকে, এমন আশঙ্কাও রয়েছে।
“সেজন্য রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীক অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে চুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জনগণকে চুক্তির প্রধান শর্তগুলো জানানো উচিৎ ছিল,” বিবিসি বাংলাকে বলেন বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।

