বিশেষ প্রতিনিধি
নতুন বছর, নতুন ক্লাস।সেইসঙ্গে নতুন বইয়ের ঘ্রাণে উচ্ছ্বসিত যশোরের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রতি বছর এই দিনটিতে যশোরের স্কুলগুলোতে রঙ-বেরঙের বেলুন,ফেস্টুন আর উৎসবের আমেজ থাকে। কিন্তু এবারের চিত্রটা ভিন্ন। নেই কোনো মাইকের শব্দ, নেই কোনো জাঁকজমকপূর্ণ মঞ্চ। রাষ্ট্রীয় শোকের গাম্ভীর্য নিয়ে নিরিবিলিতেই শুরু হলো নতুন বছরের পাঠদান। উৎসব না থাকলেও শিশুদের হাসিতে কোনো কমতি ছিল না, কারণ তাদের হাতে উঠেছে নতুন বই।
যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। জেলায় প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য প্রয়োজনীয় ১২ লাখ ৮২ হাজার ৭২৫টি শতভাগ পৌঁছেছে। প্রতিটি উপজেলায় এই বই সময়মতো পৌঁছে যাওয়ায় বছরের প্রথম দিনেই প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থী পূর্ণ সেট বই হাতে পেয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলমের কণ্ঠেও ঝরল তৃপ্তির সুর। তিনি জানালেন, কোনো শিশু যেন বই ছাড়া বাড়ি না ফেরে, সেটি তারা নিশ্চিত করেছেন।
তবে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য দিনটি খুব একটা সুখকর হয়নি। জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, মাধ্যমিকে বইয়ের চাহিদা পূরণ হয়েছে মাত্র ৩১.৯০ শতাংশ। অর্থাৎ ১০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩ জনেরও কম শিক্ষার্থী পূর্ণাঙ্গ বই হাতে পেয়েছে। মাধ্যমিকে বইয়ের এই বড় ঘাটতি নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন অভিভাবকরাও। তবে শিক্ষা অফিস আশ্বস্ত করেছে, মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। জানুয়ারির মাঝামাঝি নাগাদ অবশিষ্ট বইগুলো পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ কামরুল ইসলাম
মোবাইল নং : ০১৭১০৭৮৫০৪০
Copyright © 2026 অপরাজেয় বাংলা. All rights reserved.