
অপরাজেয় বাংলা ডেক্স
শুক্রবার (২০ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার রোহিতা দক্ষিণ দাসপাড়ায় এঘটনা ঘটে।
সুব্রত ওই গ্রামের মৃত শংকর দাসের ছেলে। সুব্রত দাস জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাড়ি ফিরে দেখেন তার মা ঘরের মেইন গেট ও দরজা খুলে শুয়ে আছেন। তখন নিজে খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান। খাবার খাওয়ার পরপরই তার বমি হয়। এরপর ঘুমঘুম ভাব হলে দরজা না লাগিয়ে তিনিও শুয়ে পড়েন। শনিবার (২১ নভেম্বর) সকাল সাতটার দিকে তার মা ঘুম থেকে জেগে দেখেন দরজা খোলা, ঘরের সব এলোমেলো। তখন তিনি সুব্রতকে ডেকে তোলেন।
সুব্রতর মা তৃপ্তিরানী দাস বলেন, ‘রাতে খাবার খাওয়ার পর থেকে শরীরটা দুর্বল লাগছিল। তখন শুয়ে পড়লে ঘুম এসে যায়। ছেলে ফেরার বিষয়টি টের পাইনি। সকালে উঠে দেখি ঘরের দরজা, বাক্স আলমারি সব খোলা। ঘরে কিছুই নেই। এখনো আমি ও সুব্রত অসুস্থ।’
স্থানীয় স্কুলশিক্ষক দেবাশীষ দাস বলেন, ‘মণিরামপুরের পশ্চিম এলাকায় একের পর এক চুরি ডাকাতি ঘটেই যাচ্ছে। কোনো প্রতিকার মিলছে না। এসব ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত।’
মণিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান বলেন, ‘বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিচ্ছি।
সূত্র, আমাদের সময়.কম
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ কামরুল ইসলাম
মোবাইল নং : ০১৭১০৭৮৫০৪০
Copyright © 2026 অপরাজেয় বাংলা. All rights reserved.