নওয়াপাড়া নৌবন্দর কর্মকর্তা
মাসুদ পারভেজ বললেন নদে নাব্যাতা সংকট নেই , নিয়মিত ড্রেজিং করা হচ্ছে
স্টাফ রিপোটার: ভৈরব নদে এক মাসের ব্যাবধানে আরো একটি জাহাজ ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ১ হাজার ১৬০ টন ইন্দোনেশিয়ান কয়লা নিয়ে জাহাটি শনিবার দুপুরে ভাটপাড়া এলাকায় নাব্যতা সংকটের কারনে তলা ফেটে ডুবে যায় । ওই কয়লার বাজার মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা। কয়লার মালিক আফিল গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান আফিল ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানীর।
প্রতিষ্ঠানের ব্যাবস্থাপক মঞ্জুরুল ইসলাম সুমন জানান, এক সপ্তাহ আগে ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানী করা কয়লা ওই দেশীয় জাহাজ (মাদার ভ্যসেল) এমভি সি স্পট পরিবহন করছিলো। জাহাজটি মংলা বন্দরে গভীর পয়েন্ট ফেয়ার নামক স্থানে নোঙ্গর করে। সেখান থেকে এক হাজার ১৬০ টন কয়লা এক সপ্তাহ আগে কার্গো জাহজ এম ভি সুরাইয়াতে ভর্তি করে নওয়াপাড়া বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ভাটপাড়া এলাকায় পৌছালে নাব্যতা সংকটের কারনে জাহাজটির তলা ফেটে ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া কয়লার মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা। তিনি জানান জাহাজটি ডুবে যাওয়ায় কয়লা ভিজে তা অবিক্রিত হয়ে গেল। এতে মালিকের অনেক ক্ষতি হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌ-যান শ্রমিক ফেডারেশনের অভয়নগর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব নাজমুল হাসান বলেন, ভৈরবের নাব্যতা সংকটের কারনে ঘন ঘন নৌ-যানের দুর্ঘটনা ঘটছে। নদী ড্রেজিং করছে আবার তা ভরাট হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে নওয়াপাড়া নৌ বন্দরের কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ কয়েক দিন আগে এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, নদীতে কোন নাব্যতা সংকট নেই। আমরা নিয়মিত ড্রেজিং করে নদী খনন করছি।
এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারী নওয়াপাড়া পীর বাড়ি ঘাটে নাব্যতা সংকটের কারনে ৬৮০ টন ইউরিয়া সার বোঝাই কার্গো ডুবে যায়। দীর্ঘদিন গত হয়ে গেছে কিন্তু সার বোঝাই কার্গোটি এখনো উদ্ধার করতে পারেনি।
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ কামরুল ইসলাম
মোবাইল নং : ০১৭১০৭৮৫০৪০
Copyright © 2026 অপরাজেয় বাংলা. All rights reserved.