নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলে যশোর সীমান্তবর্তী চাকই মরিচা ভবানিপুর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে সীমান্তবর্তী বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে।
বাজার কমিটি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী চাকই মধুরগাতি, ভবানিপুর বাজারে মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে আগুন লাগতে দেখেন বাজারের দায়িত্বে থাকা কেসমত গাজি।
এ সময় তার সহযোগীদের নিয়ে দ্রুত দোকানের সামনে এসে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের খবর দেন তিনি। নোয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে পুড়ে যায় বাজারের চারটি দোকান। এতে দোকানে থাকা নগদ অর্থ, আসবাবপত্র, দোকানের ভবনসহ চারটি দোকানের আনুমানিক ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।
ক্ষতিগ্রস্ত মিষ্টি ব্যবসায়ী মতিউর রহমান বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যাই। রাতে বাজার থেকে ফোন আসে দোকানে আগুন লেগেছে। এসে দেখি, আগুনে দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অনেক কষ্টের দোকান।
দোকানের পরেই আমার সংসার। আগুনে আমাকে সর্বস্বান্ত করে দিয়ে গেছে।’
ক্ষতিগ্রস্ত আরেক ব্যবসায়ী জামির ফকির বলেন, ‘চা আর মুদি মালামাল বিক্রি করে কোনো রকম সংসার চলে আমার। আগুনে আমার সব শেষ। ঘরের ভেতর থাকা মুদি মালামাল, চা, আসবাবপত্র সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
চাকই, মরিচা, ভবানিপুর বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সান্টু বলেন, ‘বাজারে দায়িত্বে থাকা নাইটগার্ড রাতে ফোন দিলে বাজারে ছুটে আসি। এসে দেখি দোকানগুলোতে আগুন জ্বলছে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে চারটি দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারের কাছে আবেদন ক্ষতিগ্রস্ত দোকান গুলোকে আর্থিকভাবে সহযোগিতার করার।’
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, টি. এম. রাহসিন কবীর বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি জানতে পেরেছি। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিরা আবেদন করলে নিয়ম অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করা হবে।’
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ কামরুল ইসলাম
মোবাইল নং : ০১৭১০৭৮৫০৪০
Copyright © 2026 অপরাজেয় বাংলা. All rights reserved.