
স্থানীয় জুয়েল ও আলম সহ কয়েকজন বলেন, বৃদ্ধটি খুবই অসহায়। এক সময় দোকান দিয়ে সংসার চললেও তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে শুনলাম ইউএনও স্যার বেতনের টাকা থেকে টাকা দিয়ে বৃদ্ধ চাচাকে দোকান করে দিয়েছেন। অনেকের ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন চলে। সমাজের বৃত্তবানরা যদি এসব অসহায়দের সহযোগীতা করে তাহলে তাদের কর্মসংস্থান হতো।
বৃদ্ধ মোসলেম উদ্দিন বলেন, তার ছয় ছেলেমেয়ে। ছেলেদের আলাদা সংসার। এক মেয়ে স্বামী পরিত্যাক্তা হওয়ার পর তার সাথেই থাকে। স্ত্রী, মেয়ে ও এইচএসসি শির্ক্ষাথী নাতনীসহ তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা চারজন। তিনি ছেলেদের উপর নির্ভরশীল হতে চান না। যতদিন তিনি বেঁচে থাকবেন নিজেই পরিশ্রম করে বাঁচতে চান। ইউএনও স্যার না থাকলে হয়ত এখানে আমার দোকান করা সম্ভব হতো না। আমার দোকান পর্যন্ত স্যার মালামাল নিয়ে আসায় আমিতো আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েছি। স্যারের জন্য অনেক দোয়া রইল তিনি যেন সুস্থ সবল থাকতে পারেন। স্যারের মানবতা আমাকে মুগ্ধ করেছে।
বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু তাহির বলেন, তিনি (মোসলেম উদ্দিন) ভিক্ষাবৃত্ত না করে সম্মানের সহিত বাঁচতে চাইছিলেন। দোকান স্থাপন করার কোন জায়গা পাচ্ছিলেন না। বিষয়টি জানার পর রাস্তার পাশে তাকে দোকান ঘর তৈরী করতে সাহায্য করা হয়। তিনি যেন সমাজে মর্যাদার সঙ্গে বসবাস ও বাঁচতে পারেন এজন্য আমার তরফ থেকে ক্ষুদ্র একটা উদ্যোগ নিয়েছি। যাতে তিনি দোকান পরিচালনা করে পরিবারসহ বাঁকী জীবন কাটিয়ে দিতে পারেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ কামরুল ইসলাম
মোবাইল নং : ০১৭১০৭৮৫০৪০
Copyright © 2026 অপরাজেয় বাংলা. All rights reserved.