
কেউ কেউ বলছেন, তার বিপদে যে বা যারা দূরত্ব বজায় রেখেছেন বা অসহযোগিতা করেছেন, তাদের উদ্দেশ্যেই পরীমণি এই লেখাটি লিখেছেন। বিষয়টি বুঝা যাবে পরীমণির পরবর্তী আচরণের উপর। তার জামিন হয়েছে শোনার পর থেকে কাশিমপুর কারাগারের সামনে লোক সমাগম শুরু হয়। কিন্তু সেদিনই তিনি কারামুক্ত হননি। পরদিন অর্থাৎ বুধবার সকাল থেকেই আবারও লোক জমায়েত হতে শুরু করে কারা ফটকের সামনে।
পরীমণি কারাগার থেকে বের হয়েছেন সাদা পোশাকে এবং তাকে বহনকারী গাড়িটিও ছিল সাদা। তার মাথা ছিল সাদা কাপড়ে মোড়ানো। তার এই সাদা পোশাকের যদি প্রতীকী অর্থ করা হয়, তাহলে সেটা কি শান্তি, না নতুন কিছুর আভাস বুঝা যাচ্ছে না। কারাগার থেকে বের হওয়ার পর তিনি কারো কারো সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, হাসি মুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন এবং হাতটি মেলে ধরেছেন যাতে সবাই উক্তিটি সঠিকভাবে চিত্রায়ন করতে পারেন। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি স্বজন ও আইনজীবীদের সঙ্গে বনানীর বাসায় যান। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী প্যানেলের সদস্য নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভীও।সূত্র,আমাদের সময়.কম
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ কামরুল ইসলাম
মোবাইল নং : ০১৭১০৭৮৫০৪০
Copyright © 2026 অপরাজেয় বাংলা. All rights reserved.