
জন্ম ও মৃত্যুসনদে নাম–ঠিকানা, সন্তানের ক্রম নম্বরসহ ছোটখাটো ভুল স্থানীয় পর্যায় থেকে সংশোধন করার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনার, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নিবন্ধন কার্যালয় এবং প্রবাসে রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারের পক্ষে কোনো কর্মকর্তা ভুল সংশোধন করতে পারবেন।
রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন) গত ২২ ফেব্রুয়ারি এক চিঠিতে জানিয়েছে, ব্যক্তির নাম, বাবা-মায়ের নাম–ঠিকানা, সন্তানের ক্রম ও অন্যান্য ছোটখাটো ভুল স্থানীয় নিবন্ধকের মাধ্যমে সংশোধন করা যাবে। চিঠির কপি সব সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসক ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. রাশেদুল হাসান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে জানান, অনেকের নামের বানান, ঠিকানায় সামান্য ভুল হয়ে যায়। বিবাহবিচ্ছেদ বা একাধিক বিয়ে রয়েছে, এমন ব্যক্তিরা সন্তানের ক্রম লিখতে গিয়ে ভুল করে ফেলেন। অনেকে যমজ সন্তানের ক্ষেত্রেও ক্রম লিখতে ভুল করেন। সেসব ছোটখাটো ভুল সংশোধনে ভোগান্তি কমাতে স্থানীয় নিবন্ধককে ভুল সংশোধনের এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। চিঠি ইস্যুর দিন থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে তিনি জানান।
রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের (জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন) চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন বিধিমালা অনুযায়ী নিবন্ধন তারিখের পরবর্তী ৯০ দিন পর্যন্ত নিবন্ধক সংশোধন করতে পারেন। কিন্তু বর্তমান বিডিআরআইএস (জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন তথ্যপদ্ধতি) সফটওয়্যারে ব্যক্তির নাম, বাবা-মায়ের নাম–ঠিকানা, সন্তানের ক্রম ও অন্যান্য ছোটখাটো ভুল সংশোধনের জন্য ইউনিয়নের ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের ক্ষেত্রে ডিডিএলজির (স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক) মাধ্যমে সংশোধন করতে হয়। এটি সময়সাপেক্ষ ও জনভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের প্রক্রিয়া সহজীকরণের লক্ষ্যে ব্যক্তির নাম–ঠিকানা ও ছোটখাটো ভুল সংশোধনে জনগণ যাতে ভোগান্তির শিকার না হন, এ জন্য এখন থেকে এ সকল ভুল সংশোধন সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ই করতে পারবে।’
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ কামরুল ইসলাম
মোবাইল নং : ০১৭১০৭৮৫০৪০
Copyright © 2026 অপরাজেয় বাংলা. All rights reserved.