নেমেছে কৃষক”
শ্যামল দত্ত(যশোর) চৌগাছা ধেকেঃযশোর চৌগাছা কৃষকরা বরো ধান রোপনে আগে ভাগে মাঠে নেমে পরেছে । এ বছরে অসমায় বৃষ্টিতে আমন ধানের অপুণীয় ক্ষতি হয়েছে।আমনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই চাষীরা আগাম ধান রোপনে ব্যস্ত সময় কাটাচেছন। উপজেলা কৃষি অফিসার সমরেন বিশ্বাস বলেন গত বছরের মতই মৌসুমে উপজেলাতে ১৮ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।চলিত বছরের আমনের বৃষ্টিতে অনেক জমির উঠতি ফসল ক্ষতি হওয়ায় ওই সব জমিতে ক্ষতি পুষিয়ে বোরো চাষ করে লক্ষমাত্র ছারিয়ে যেতে পারে। পৌর সভা সহ ১১টি ইউনিয়ন এলাকায় অধিকাংশ মাঠেই বোরো ধানের চাষ শুরু হয়েছে।চাষযোগ্য জমিতে জৈব সার ফেলে প্রস্তুত চলছে।উপজেলায় বিভিন্ন গ্রামের মাঠে ঘুরে দেখা গেছে চাষিরা মৌসুম শুরুর বেশ আগে ভাগে বোরো ধান রোপনে মাঠে নেমে পরেছে।কৃষক মফজেল হোসেন,রনি মিয়া ,বদর উদ্দিন, ফারুক হোসেন,শাইনুর রহমান বলেন জানান যে জমিতে বোরো ধান চারা রোপন ব্যস্ত সমায় পার করছেন।রায়নগর গ্রামের মোশারেফ ৯ বিঘা,ভাদড়ায় গ্রামে আব্বাস ১৯ বিঘা ,পিন্টু মন্ডল ৫ বিঘা,সলুয়া গ্রামে ই্উপি সদস্য উজ্জল হোসেনের ১০ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপণ করবেন । বোরোধান চাষ ব্যয়বহুল ফসল ১বিঘা জমিতে ধান রোপন থেকে শুরু করে কৃষকের ঘরে আসা পর্যন্ত ১৪/১৫ হাজার টাকা ব্যায় হয়।এ বছরে ১ বিঘা(৩৩ শতক ) জমিতে রোপণ করতে ১৪ শ টাকা। বিঘা প্রতি পানির দাম ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা লাগে।এছারা সার কীটনাশক কৃষাণ খরচসহ অন্যান্য খরছ আগার চেয়ে বেশি।চলিত মৌসুমতে এ অঞ্চলে কৃষকেরা বোরো ধান চাষ করেন ব্রিধান -২৮,ব্রিধান -৫০,ব্রিধান-৬৩,ব্রিধান-৮১ মিনিকেট ধান,সুবললতা ধান,কাজল লতা ,বাংলামতি,তেজগোল্ড,সুপার মিনিকেট,হাইব্রিড আগমনী,হাইব্রিড এস এল-৮ এইচ, রড মিনিকেট ধান,চাষ করে থাকেন।কৃষকেরা বলেন বোরো ধানের মৌসুমিতে ধার উৎপাদন বেশিকরেন চাষ কাজে পরিশ্রম বেশিহয়।উপজেলা কৃষি অফিসার সমরেন বিশ্বাস বলেন কিছু কিছু এলাকায় মৌসুমি শুরুর আগেই ধান রোপণ করা শুরু করেছে। আবওয়া অনুকুলে থালে গত বছরের তুলনায় বোরোধান অধিক লক্ষ মাত্রা অর্জন হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ কামরুল ইসলাম
মোবাইল নং : ০১৭১০৭৮৫০৪০
Copyright © 2026 অপরাজেয় বাংলা. All rights reserved.