প্রিন্ট এর তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০২৬, ৭:৫৯ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২৬, ৯:০৫ এ.এম
চুয়াডাঙ্গার গাছে গাছে ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে আমের মুকুল

চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
রবীন্দ্রনাথের গান “ওমা ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে” যেন বাস্তবে অবতীর্ণ হয়েছে। ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে প্রকৃতির রূপ বদলে গেছে।চুয়াডাঙ্গার গ্রাম শহর সবখানের আমবাগানে দেখা যাচ্ছে সোনালী রঙের আমের মুকুল, যা শোভা বাড়াচ্ছে। গাছে গাছে ঘনঘটা মুকুল দেখে বাগান মালিক ও আম চাষিরা এবছর বাম্পার ফলনের আশা করছেন।
দেশের ছোট বড় প্রায় সব গাছে প্রচুর মুকুল এসেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুলের স্বাস্থ্য ভালো রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। বাগান মালিকদের মতে, গত বছরের তুলনায় এবার মুকুল আসার হার কিছুটা বেশি। তবে আগামী দিনগুলোতে কুয়াশা কম থাকলে এবং সময়মতো সেচ ও কীটনাশক প্রয়োগ করলে ফলন প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হতে পারে। মুকুল আসার এই সময়ে বাগানগুলোতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। চাষিরা দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন মুকুল রক্ষায়। গাছের গোড়ায় জল ও প্রয়োজনীয় সার দেওয়া হচ্ছে এবং ‘হপার’ পোকার আক্রমণ ও ছত্রাক থেকে মুকুল বাঁচাতে অনুমোদিত কীটনাশক স্প্রে চালানো হচ্ছে। কৃষিবিদরা বলছেন, যদি হঠাৎ শিলাবৃষ্টি বা অতিরিক্ত কুয়াশার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটে, তবে এবার আমের লক্ষ্যমাত্রা সহজেই অর্জিত হবে।জেলা কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
মুকুল ফোটার পর থেকে আমের গুটি আসা পর্যন্ত সময়টা অত্যন্ত সংবেদনশীল। সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করতে পারলে আমের ফলন অনেক ভালো হয়। মাঘের শেষ ও ফাল্গুনের শুরুতেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়া মুকুলের সুবাস জানাচ্ছে আসছে গ্রীষ্মে বাঙালির পাতে আবারও জুটবে রসালো আমের স্বাদ।
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ কামরুল ইসলাম
মোবাইল নং : ০১৭১০৭৮৫০৪০
Copyright © 2026 অপরাজেয় বাংলা. All rights reserved.