চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু,চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গায় পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা বিবেচনা করে সুলভমূল্যে প্রাণিজাত পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বুধবার(১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় শহরের কোর্ট মোড়ে এ বিক্রয় কার্যক্রমের দোকান বসে। দোকানটি চলবে পুরো রমজান মাস জুড়ে। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে এ কার্যক্রমটি উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজাত পণ্যের বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ দোকানে দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও সোনালি মুরগি নির্ধারিত সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত সুলভমূল্যে এসব সামগ্রী বিক্রি করা হবে। এরমধ্যে গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি দর মুল্যে বিক্রি করা হবে। যা বাজারের তুলনায় ৫০ টাকা কম। প্রতি পিচ ডিম সাড়ে ৮ টাকা, এ ডিমের বাজার মুল্য ১০ টাকা পিচ। সোনাল মুরগী কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে ২৭৫ টাকা। তবে সোনালি মুরগির দাম বাজার মুল্যে পাওয়া যাচ্ছে ৩২০ টাকা কেজি। দুধ ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। কিন্তু বাজারে তরল এ আমিষের দাম ১০০ টাকা কেজি। রোজাদারা যেন এখান থেকে রমজান মাস জুড়ে ন্যায্য দামে আমিষ পন্য ক্রয় করে স্বস্তি পায়। এমন স্বস্তি দেয়ার জন্য এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানাগেছে।দোকানটি ঘুরে দেখছেন জেলা প্রশাসকসহ অন্যান্য অতিথিরা।
এ কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. শাহাবুদ্দিন, কৃত্রিম প্রজননের উপ-পরিচালক ডা. শামীম উজ জামান এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মুস্তাফিজুর রহমানসহ প্রাণিসম্পদ বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এ কার্যক্রম উপলক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন,‘রমজান মাস উপলক্ষে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা বিবেচনা করে এ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে। এখানে সুলভ মূল্যে বিক্রির একটা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এটা যেন মানুষ জানে। কৃষি অফিসকে অনুরোধ করেছি তারা যেন খামারিদের সাথে কথা বলে একটি ফলের দোকান নিয়ে বসে। বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মধ্যে এ ধরনের উদ্যোগ অনেকটাই স্বস্তি নিয়ে আসবে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। রমজান মাসজুড়ে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ফলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

