মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে অনিক দে এর সাথে ছাত্রীটির পরিচয় হয়। এরপর তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর ০৬ জুন মেয়েটির বাসা থেকে ফুসলিয়ে অনিক তাঁকে বাড়ির বাইরে ডেকে আনে । এ সময় রাস্তার পাশে ওৎ পেতে থাকা অনিক ও তার লোকজন তাকে অপহরণ করে মোটরসাইকেলে নিয়ে যায়। পরে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে মেয়ের খোঁজখবর নিয়ে অপহরণের বিষয়টি জানতে পারেন স্কুলছাত্রীর বাবা। ১১ জুন মেয়েটির মা বাদী হয়ে অনিকে দে এর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কেশবপুর থানায় মামলা করেন। যার মামলা নং-৩ । মামলা দায়েরের পর কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বোরহান উদ্দীনের নির্দেশে থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিন্টু লাল দাস সোর্স ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুক্রবার রাতে যশোরের চৌগাছা এলাকা থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার ও অনিক দে কে গ্রেফতার করেন।
থানার উপপরিদর্শক পিন্টু লাল দাস বলেন, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতার অনিক দে এর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রেমের ফাঁদে ফেলে সে নাবালিকা মেয়েটিকে অপহরণ করেছিল। তাকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

