রবিউল ইসলাম, (শুভরাড়া) অভয়নগর :
অভয়নগরে চাপা উত্তেজনা ও সংঘাত এড়াতে বাশুয়াড়ী দিঘির মেলা বন্ধ করে দিলো প্রসাশন। রাজনৈতিক দ্বন্দ, মেলাকে কেন্দ্র করে একাধিক পক্ষের নেতৃত্ব ও সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে যশোরের অভয়নগর উপজেলার শুভরাড়া ইউনিয়নের বাশুয়াড়ী গ্রামের প্রায় ৬০০ বছর ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী বাশুয়াড়ী খানজাহান আলী চৈত্র মেলা অবশেষে গত কাল (২৫ মার্চ) স্থায়ী ভাবে বন্ধ হলো। অন্তর্দ্বন্দ, ক্ষমতার দাপট আর বাহুবল প্রচারকে কেন্দ্র করে ও প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় ১৪ দিন দোকানদারদের অপেক্ষার পর অবশেষে কেনাবেচা না করেই ফিরে যেতে হলো তাদের।
দোকানদারদের হাহাকার দেখেনি কেউ । খালি হাতে ফিরে যেতে হলো তাদের। প্রসাশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অনুমোদন হীন এ মেলার কার্যক্রম বন্ধ করেছে তারা।
জানা গেছে ৩০০ শতাধিক দোকানীর লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হলেও স্থানীয়ভাবে যারা বিরোধিতা করেছে তাদের লাভই বেশি হলো। বাগেরহাট থেকে আগত কসমেটিকস দোকানদার আলতাফ হোসেন জানান, ৭ দিন ৪জন কর্মচারীর খাবার ও গাড়ী ভাড়াসহ তার বিশ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আলতাফের মত ৫৯ টি কসমেটিকস দোকানদার এ মেলায় এসেছিলেন।
মিষ্টি, চটপটি ও অন্যন্ন প্রায় ৩০০ শতাধিক দোকানদার গত ২৪ শে মার্চ তাদের দোকানের যাবতীয় কাজ শেষ করেছিলেন। খানজাহান আলী (রহ) এর স্মরনে ১৪ শতকের দিকে খননকৃত তারই নিদের্শনা বাশুয়াড়ী খানজাহান আলীর দিঘির পাড়ে ৬০০ বছর ধরে চলে আসা এ মেলা পরিচালনা করার জন্য সরকারি পর্যায়ে কোন অনুমতি না থাকায় (২৫ মার্চ) শুক্রবারে ক্যাম্প পুলিশের নেতৃত্বে প্রায় সকল দোকান ভেঙ্গে নিয়ে চলেগেছে।
তাতে দোকানদারদের লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানালেন ভুক্তভুগি দোকান দাররা। এ বিষয়ে বাশুয়াড়ী পুলিশ ক্যাম্পের এস আই রফিকুল ইসলাম জানান, কোন প্রকার সরকারি অনুমতি না থাকায় মেলা বন্ধ করে দেওয় হয়ছে। মেলা কমিটির সভাপতি ইদ্রিস আলী শেখ জানিয়েছেন, অনুমতি না থাকায় মেলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে দোকানদারদের খরচের জন্য দুদিন কেনা বেচা করার সুযোগ তারা পেয়েছে।
রবিউল ইসলাম, শুভরাড়া প্রতিনিধি।
২৫/৩/২২
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ কামরুল ইসলাম
মোবাইল নং : ০১৭১০৭৮৫০৪০
Copyright © 2026 অপরাজেয় বাংলা. All rights reserved.