
অভয়নগর প্রতিনিধি
অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য, পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রউফ মোল্লা সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়েছেন। আজ রোববার সকাল সাড়ে দশটায় অভয় নগরের প্রাণকেন্দ্র নোয়াপাড়া নূরবাগ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আাসে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন তিনি আশংকা মুক্ত।
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, ঘটনার সময় ১০-১৫ জন মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা, আব্দুর রউফ মোল্লাকে লোহার রড ও লাঠিসুটা দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করছিল। মারার এক পর্যায়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। খবর পেয়ে আব্দুর রউফ মোল্লার ভাগ্নে বিএনপি কর্মী ওয়ানি মোল্লা (২১) এগিয়ে সে সন্ত্রাসীদের বলে আর একটি বাড়িও আমার মামার গায়ে দিবে নে। এতে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা ফিরে। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে হাতে পায়ে ব্যান্ডেজ দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত চিকিৎসক সৌমিক কুমার জানান, আব্দুর রউফ মোল্লা আশঙ্কা মুক্ত। তার আত্মীয়রা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।
আহত আব্দুর রউফ মোল্লা জানান, সম্প্রতি তিনি দলের কয়েকটি প্রোগ্রাম করেছেন। এতে তনি চাপের মুখে ছিলেন। ঘটনার সময় তিনি নুরবাগে অবস্থিত জেলা পরিষদের মার্কেটের ওপারে উঠছিলেন। দুই তিন জন যুবক তাকে ডেকে নিয়ে একটি দোকানে বসায়। এর কিছুক্ষণ পর একদল মুখোশ পরা যুবক। ছুটে এসে লাঠি সোটা দিয়ে মারতে থাকে। প্রায় আধা ঘন্টা ধরে তারা মারতে মারতে মাটিতে ফেলে দেয়। আর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আ,লীগ করবিনে একথা বল আর কান ধরে উঠবস কর।
ওই সন্ত্রাসীদের অভিযোগ, আব্দুর রউফ এক জন নারীর সাথে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত থাকার কারনে গণধোলাই দেয়া হয়েছে।
অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম নুরুজ্জামান বলেন, ঘটনা শুনে থানা পুলিশ গিয়েছিল কিন্তু সেখানে কাউকে পায়নি। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খোঁজ নিয়ে জানতে পারা যায় তাকে খুলনায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

