গ্রিক ক্যালেন্ডার অনুসারে, তখন ৩০৪ দিনে ছিল সৌর বছর। দশ মাসে বিভক্ত ছিল বছর। খ্রিষ্ট পূর্ব ৭৯৩ অব্দে আরো ৬০ দিন যুক্ত করে ৩৬৪ দিনে বছর করা হয়। মাঝের ষাট দিনের কোনো মাস ছিল না।
জুলিয়াস সিজার জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি যুক্ত করে ঢেলে সাজান। ১৫৮২ সালে লিপ ইয়ার যুক্ত করে ইংরেজি বর্ষকে পূর্ণতা দেন পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি।
গড অফ ডোরস খ্যাত রোমান দেবতা জানুসের নামানুসারে রাখা হয় জানুয়ারি মাসের নাম।
পাশ্চাত্যে বসন্তকালের শুরুর দিকে ‘ফেব্রুয়া’ নামে একটি উৎসব হতো। এই উৎসবের নাম থেকেই হয় ফেব্রুয়ারি।
রোমান যুদ্ধদেবতা মার্স। তার নামানুসারে হয় মার্চ মাসের নাম।
এক মতবাদ অনুযায়ী, এপ্রিলে নতুন রূপে সাজে প্রকৃতি। আর সেই বিচারেই এর নামকরণ। আরেক মতবাদে, সৌন্দর্যের দেবী আফ্রোদিতির নামানুসারে হয় এপ্রিল নাম।
রোমানদের এক দেবী ছিলেন ‘মেইয়্যা’। কথিত আছে- এই দেবীই ছিলেন সমস্ত শস্যের রক্ষাকর্ত্রী। শস্য ফলনের মাসটিকে তার নামে রাখা হয় মে।
রোমানদের সবচেয়ে বড় দেবতা জুপিটারের স্ত্রী জুনো। রোমানদের মতে- তিনি বিয়ের দেবী। জুনো থেকে আসে জুন মাসের নাম।
রোমান ক্যালেন্ডারের প্রবর্তক জুলিয়াস সিজারের নামানুসারেই জুলাই মাসের নামকরণ করা হয়।
জুলিয়াস সিজারের একমাত্র উত্তরাধিকারী ছিলেন অগাস্টাস সিজার। অগাস্টাসের নাম অনুসারে নাম করা হয় অগাস্ট।
ল্যাটিন সেপ্টম মানে সাত। যখন দশ মাসে বছর ছিল, সেই সময়ে সেপ্টেম্বরের অবস্থান ছিল সাতেই। সেখান থেকেই নামকরণ করা হয় সেপ্টেম্বর।
অক্টো শব্দের অর্থ হল অষ্টম। অক্টো শব্দ থেকেই অক্টোবরের নামকরণ করা হয়। এভাবেই নভেম্বর-ডিসেম্বরের নামকরণ করা হয়।
সূত্র, DBC বাংলা