Type to search

এক বছর পর ট্রানজিট পণ্য নিয়ে আশুগঞ্জে ভারতীয় জাহাজ

জাতীয়

এক বছর পর ট্রানজিট পণ্য নিয়ে আশুগঞ্জে ভারতীয় জাহাজ

এক বছর বন্ধ থাকার পর ট্রানজিটের পণ্য নিয়ে আশুগঞ্জ নৌবন্দরে ভিড়েছে ভারতীয় একটি জাহাজ। গতকাল শনিবার রাতে ৯৫৯ টন স্টিলবার নিয়ে ভারতীয় জাহাজ এমভি ভুলকার-১ আশুগঞ্জে আসে।

বাংলাদেশ-ভারত অভ্যন্তরীণ নৌপথ অতিক্রম ও বাণিজ্য প্রটোকল চুক্তির আওতায় এসব পণ্য আনা হয়েছে। বাংলাদেশের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইসলাম ব্রাদার্সের মাধ্যমে এসব পণ্য দু-এক দিনের মধ্যে সড়কপথে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে পৌঁছানো শুরু হবে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জানায়, ট্রানজিটের আওতায় সর্বশেষ গত বছরের জানুয়ারিতে ভারতীয় কয়লাবাহী একটি জাহাজ আশুগঞ্জ নৌবন্দরে এসেছিল। এর পর আশুগঞ্জ নৌবন্দর দিয়ে ভারতীয় পণ্য পরিবহন বন্ধ ছিল। এক বছর পর ভারতীয় টাটা কোম্পানির ৯৫৯ টন স্টিলবার পাঠানো হলো। ট্রানজিট-সংশ্লিষ্ট আনুষ্ঠানিকতা শেষে এসব পণ্য ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের এসএম করপোরেশনে পাঠানো হবে।

ভারতের কলকাতা থেকে খুলনা হয়ে আশুগঞ্জে এসেছে জাহাজটি। এই পণ্য পরিবহনে দেশীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইসলাম ব্রাদার্সের কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, সরকারি আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ-কালের (রবি বা সোমবার) মধ্যে মালপত্র পরিবহন শুরু হবে।

আশুগঞ্জ-ভৈরব নৌবন্দরের বন্দর কর্মকর্তা ও বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ জানায়, নৌবন্দরে জাহাজ অবস্থানকালে দৈনিক ৩১৫ টাকা হারে বার্থিং চার্জ এবং টনপ্রতি ৩৪ টাকা হারে ল্যান্ডিং অ্যান্ড শিপিং চার্জ নেওয়া হবে। টনপ্রতি ১০ টাকা হারে তদারকি চার্জ দেবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও নির্ধারিত চার্জ নেবে।

২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে অভ্যন্তরীণ নৌপথ অতিক্রম ও বাণিজ্য প্রটোকল চুক্তি সই হয়। এর আওতায় আশুগঞ্জ নৌবন্দরকে ‘পোর্ট অব কল অ্যান্ড ট্রান্সশিপমেন্ট পয়েন্ট’ ঘোষণা করা হয়। এ চুক্তির আওতায় ২০১১ সালের পর বাংলাদেশ হয়ে ত্রিপুরার পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারী মালপত্রসহ বিভিন্ন সময় খাদ্য ও কয়লা পরিবহন করেছে ভারত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *